প্রয়াত নানা পটেকর। তবে অনুরাগী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মনে আজও তাঁর স্মৃতির উজ্জ্বল উপস্থিতি। এমনই এক অনুরাগী, অভিনেতা কমলেশ সাওন্ত। ‘দৃশ্যম’ ছবিতে ইনস্পেক্টর গায়তোন্ডের চরিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি পেয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কমলেশ জানিয়েছেন, অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে একটি ছবিতে কাজ করার জন্য নাকি তাঁর চেয়ে ১ টাকা বেশি পারিশ্রমিক দাবি করেছিলেন নানা। শুধু তা-ই নয়, সেই দাবি পূরণও হয়েছিল বলে শোনা যায়। যদিও এই ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত নন কমলেশ নিজেই।
এক সাক্ষাৎকারে নানার প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেন কমলেশ। অভিনেতার উদারতা ও ব্যক্তিত্বের কথা বলতে গিয়ে তাঁর পারিশ্রমিক সংক্রান্ত এই গল্প শোনান তিনি। কমলেশের কথায়, “আমি ওঁর সঙ্গে একটি ছবিতে কাজ করেছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, ওঁর সঙ্গে আমার কোনও দৃশ্য ছিল না। মাঝেমাঝে সেটা ভেবে আফসোস হয়। আমরা ওঁকে কাজ করতে দেখেছি, ওঁকে নিয়ে অনেক গল্পও শুনেছি। এক বার শুনেছিলাম, অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে একটি ছবিতে কাজ করার জন্য তিনি নাকি বচ্চনসাহেবের চেয়ে ১ টাকা বেশি পারিশ্রমিক চেয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘বচ্চনসাহেবের সঙ্গে কাজ করলে আমি ১ টাকা বেশি নেব।’ তার পর নাকি একটি ছবির জন্য ১ কোটি ১ টাকা নিয়েছিলেন তিনি, যেখানে অমিতাভ বচ্চনের পারিশ্রমিক ছিল ১ কোটি টাকা। তবে আমি যা শুনেছি, সেটাই বলছি। ঘটনাটি কতটা সত্যি, তা জানি না।”
বলিউডে সংলাপের গুরুত্ব বাড়ানোর ক্ষেত্রেও নানার বড় ভূমিকা ছিল বলে মনে করেন কমলেশ। তাঁর মতে, একটা সময় পর্যন্ত হিন্দি ছবির জগৎ মূলত গান ও নাচকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হত। পরে ছবিতে সংলাপের গুরুত্ব বাড়তে শুরু করে। সেই পরিবর্তনের অন্যতম পথিকৃৎ ছিলেন নানা। অভিনেতার সংলাপ বলার নিজস্ব ভঙ্গি দর্শকের মধ্যে কতটা জনপ্রিয় ছিল, তা বোঝাতে গিয়ে গণেশ টকিজ় ও জয় হিন্দ টকিজ়ের মতো সিঙ্গল-স্ক্রিন প্রেক্ষাগৃহের কথাও উল্লেখ করেন কমলেশ। তাঁর কথায়, “গণেশ টকিজ় ও জয় হিন্দ টকিজ়ে নানার সংলাপ নিয়ে দর্শকের উন্মাদনা আমি নিজের চোখে দেখেছি। মানুষ ওঁর ছবি বার বার দেখতে যেতেন। ওঁর সংলাপ শুনে পাগল হয়ে যেতেন দর্শক। এটাই ছিল নানার শক্তি।”
সিঙ্গল-স্ক্রিন প্রেক্ষাগৃহে সাধারণত দর্শকের উচ্ছ্বাস ও চিৎকারের মধ্যেই ছবি দেখতে হয়। কিন্তু নানার সংলাপের সময় দর্শক নীরব হয়ে যেতেন বলেও জানিয়েছেন কমলেশ। তাঁর মতে, এমন ক্ষমতা ছিল মাত্র দু’জন অভিনেতার— অমিতাভ বচ্চন ও নানা পটেকরের। কমলেশ বলেন, “সাধারণত সিঙ্গল-স্ক্রিন প্রেক্ষাগৃহে দর্শক চুপ করে থাকবেন, এমন আশা করা যায় না। কিন্তু মাত্র দু’জন অভিনেতা দর্শককে চুপ করিয়ে দিতে পারতেন— এক জন বচ্চনসাহেব, অন্য জন নানা পটেকর। মানুষ ওঁদের ছবি বার বার দেখতেন। কোন সময়ে চুপ করে থাকলে সংলাপ শোনা যাবে, সেটাও তাঁরা জানতেন। কোন সংলাপের পরে কী আসবে, তা তাঁদের মুখস্থ ছিল। তাই সেই মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করতেন।”
নানার আকস্মিক প্রয়াণের খবর মেনে নেওয়া কঠিন ছিল বলেও জানিয়েছেন কমলেশ। তাঁর কথায়, “ওঁর কোনও অসুস্থতা ছিল না, কিন্তু হঠাৎ চলে গেলেন। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।” তবে অমিতাভের পারিশ্রমিকের চেয়ে ১ টাকা বেশি দাবি করে সেই টাকা পেয়েছিলেন নানা — কমলেশের বলা এই ঘটনার সত্যতা যাচাই করা যায়নি।
গত ৮ অক্টোবর প্রয়াত হয়েছেন নানা পটেকর। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।
এক সাক্ষাৎকারে নানার প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেন কমলেশ। অভিনেতার উদারতা ও ব্যক্তিত্বের কথা বলতে গিয়ে তাঁর পারিশ্রমিক সংক্রান্ত এই গল্প শোনান তিনি। কমলেশের কথায়, “আমি ওঁর সঙ্গে একটি ছবিতে কাজ করেছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, ওঁর সঙ্গে আমার কোনও দৃশ্য ছিল না। মাঝেমাঝে সেটা ভেবে আফসোস হয়। আমরা ওঁকে কাজ করতে দেখেছি, ওঁকে নিয়ে অনেক গল্পও শুনেছি। এক বার শুনেছিলাম, অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে একটি ছবিতে কাজ করার জন্য তিনি নাকি বচ্চনসাহেবের চেয়ে ১ টাকা বেশি পারিশ্রমিক চেয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘বচ্চনসাহেবের সঙ্গে কাজ করলে আমি ১ টাকা বেশি নেব।’ তার পর নাকি একটি ছবির জন্য ১ কোটি ১ টাকা নিয়েছিলেন তিনি, যেখানে অমিতাভ বচ্চনের পারিশ্রমিক ছিল ১ কোটি টাকা। তবে আমি যা শুনেছি, সেটাই বলছি। ঘটনাটি কতটা সত্যি, তা জানি না।”
বলিউডে সংলাপের গুরুত্ব বাড়ানোর ক্ষেত্রেও নানার বড় ভূমিকা ছিল বলে মনে করেন কমলেশ। তাঁর মতে, একটা সময় পর্যন্ত হিন্দি ছবির জগৎ মূলত গান ও নাচকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হত। পরে ছবিতে সংলাপের গুরুত্ব বাড়তে শুরু করে। সেই পরিবর্তনের অন্যতম পথিকৃৎ ছিলেন নানা। অভিনেতার সংলাপ বলার নিজস্ব ভঙ্গি দর্শকের মধ্যে কতটা জনপ্রিয় ছিল, তা বোঝাতে গিয়ে গণেশ টকিজ় ও জয় হিন্দ টকিজ়ের মতো সিঙ্গল-স্ক্রিন প্রেক্ষাগৃহের কথাও উল্লেখ করেন কমলেশ। তাঁর কথায়, “গণেশ টকিজ় ও জয় হিন্দ টকিজ়ে নানার সংলাপ নিয়ে দর্শকের উন্মাদনা আমি নিজের চোখে দেখেছি। মানুষ ওঁর ছবি বার বার দেখতে যেতেন। ওঁর সংলাপ শুনে পাগল হয়ে যেতেন দর্শক। এটাই ছিল নানার শক্তি।”
সিঙ্গল-স্ক্রিন প্রেক্ষাগৃহে সাধারণত দর্শকের উচ্ছ্বাস ও চিৎকারের মধ্যেই ছবি দেখতে হয়। কিন্তু নানার সংলাপের সময় দর্শক নীরব হয়ে যেতেন বলেও জানিয়েছেন কমলেশ। তাঁর মতে, এমন ক্ষমতা ছিল মাত্র দু’জন অভিনেতার— অমিতাভ বচ্চন ও নানা পটেকরের। কমলেশ বলেন, “সাধারণত সিঙ্গল-স্ক্রিন প্রেক্ষাগৃহে দর্শক চুপ করে থাকবেন, এমন আশা করা যায় না। কিন্তু মাত্র দু’জন অভিনেতা দর্শককে চুপ করিয়ে দিতে পারতেন— এক জন বচ্চনসাহেব, অন্য জন নানা পটেকর। মানুষ ওঁদের ছবি বার বার দেখতেন। কোন সময়ে চুপ করে থাকলে সংলাপ শোনা যাবে, সেটাও তাঁরা জানতেন। কোন সংলাপের পরে কী আসবে, তা তাঁদের মুখস্থ ছিল। তাই সেই মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করতেন।”
নানার আকস্মিক প্রয়াণের খবর মেনে নেওয়া কঠিন ছিল বলেও জানিয়েছেন কমলেশ। তাঁর কথায়, “ওঁর কোনও অসুস্থতা ছিল না, কিন্তু হঠাৎ চলে গেলেন। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।” তবে অমিতাভের পারিশ্রমিকের চেয়ে ১ টাকা বেশি দাবি করে সেই টাকা পেয়েছিলেন নানা — কমলেশের বলা এই ঘটনার সত্যতা যাচাই করা যায়নি।
গত ৮ অক্টোবর প্রয়াত হয়েছেন নানা পটেকর। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।
তামান্না হাবিব নিশু